
লালকেল্লা ব্লাস্টের প্ল্যান চলেছে বহু বছর! ‘পিন্ডা’ আসলে কে?
০২৫ সালের ডিসেম্বরে লালকেল্লা বিস্ফোরণের ঘটনা গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দেয়। ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন ২৯ জন। সেই বিস্ফোরণের চার্জশিট পেশ করল এনআইএ। সেখানে উঠে এসেছে। সেখানে বলা হচ্ছে, গাড়ির ভিতরে আইইডি সক্রিয় করে অভিযুক্ত উমর উন নবি এই হামলা চালায়। এটি আত্মঘাতী হামলা হিসাবেই ইঙ্গিত পেয়েছে চার্জশিটে। এর আগে, বহু রিপোর্টে জল্পনা চলছিল যে, দেশ জুড়ে সন্ত্রাসী মডিউলের একাধিকজন ধরা পড়ার পর কি হঠাৎই গাড়িতে বিস্ফোরক নিয়ে এগিয়ে গিয়ে, দিল্লিতে এই কাণ্ড ঘটায় অভিযুক্ত উমর? সেই প্রেক্ষাপটে জানা যাচ্ছে, এই হামলার পরিকল্পনা বহু আগেই হয়েছে। এমনই দাবি করেছে নিউজ ১৮-র রিপোর্ট।
দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণে নাম জড়াচ্ছে আনসার গাজওয়াত উল হিন্দ মডিউলের। এনআইএ-র মতে, ‘বিস্ফোরণের সময় অভিযুক্ত উমর উন নবী (এ-১) গাড়ির ভেতরেই ছিল এবং উল্লিখিত কমান্ড মেকানিজম ব্যবহার করে সে-ই আইইডি (IED)-টি সক্রিয় করেছিল।’ অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে যে, অভিযুক্ত উমর উগ্রবাদী প্রচারণায় প্রভাবিত হয়েছিল এবং তথাকথিত ‘লোন মুজাহিদ পকেট বুক/হাউ টু বিকাম অ্যান অ্যাসাসিন’ (একক মুজাহিদের পকেট বুক/ কীভাবে হত্যাকারী হতে হয়) অনুসরণ করছিল। এই ঘটনাকে একিউএপি (AQAP)-এর সাথে সংশ্লিষ্ট একটি নির্দেশিকা হিসেবে বর্ণনা করেছে। AQAP হল, ‘আলকায়দা ইন আরব পেনিনসুলা’। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ওই নথিতে বিস্ফোরক, অস্ত্রশস্ত্র, গোপন অভিযান এবং আইইডি সংক্রান্ত বিষয়বস্তু ছিল। এনআইএ-র তথ্যমতে, এতে টিএটিপি ও দূরনিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটানোর পদ্ধতির পাশাপাশি যুদ্ধকৌশল, নজরদারি, পলায়ন এবং অন্যান্য গোপন কার্যকলাপ বিষয়ক তথ্যও অন্তর্ভুক্ত ছিল।নতুন ভাষা শিখুন